Life Style

অবচেতন মনের অদ্ভুদ শক্তি

আপনার মাইন্ড হ্যাঁ আপনারই সাব কনসিউস মাইন্ড কতটা আমেজিং এবং মিস্টিরিয়াস. তা হয়তো আপনি ইমাজিনও করতে পারবেন না. আপনার সাবকন্সিয়াস মাইন্ড আপনার বডির সবথেকে powerful একটি পার্ক. এই পোষ্টটির মাধ্যমে আপনি আপনার সাবকন্সিয়াস মাইন্ডের লিমিটলেস পাওয়ারের ধারণাকে পেতে চলেছেন. আজ আপনি আপনার subconses mind এর ব্যাপারে দশটি amazing psychological fact কে জানতে চলেছেন. So let ফ্যাক্ট নাম্বার টেন একটি কথা রয়েছে যে দেওয়ালেরও নাকি কান রয়েছে. তো এই কথাটি আপনার subconsious mind এর জন্যে একদম perfectly fit হয়. কিভাবে? দেখুন আমাদের মধ্যে থেকে বেশি ভাগ লোকেরাই নিজের সাথে কথা বলতে ভালোবাসে নিজের সাথে কথা না বললেও মনে মনে কিছু না কিছু ভাবতেই থাকে তো আমাদের সব conscious mind মনে মনে বলা বা নিজেকে বলা সকল কথা গুলিকে mind এর store করতে শুরু (Indecipherable or mute audio) পজিটিভ এবং নেগেটিভ এর মধ্যে ডিফারেন্স করতে পারে না.

এবং সাবকন্সাস মাইন্ড রিয়েলিটি এবং ইমাজিনেশনের মধ্যেও তফাৎ করতে পারে না. তো এটা থেকে আমরা কি শিখতে পারি? যে যদি আমরা বারবার এটাই মনে করতে থাকি বা নিজেকে এটাই বলতে থাকি যে আমি এই কাজটি করতে পারবো না বা আমার দ্বারা এই কাজটি সম্ভব নয়. তো আপনার সব conses mind সেই কাজগুলিকে reality তে transform করা শুরু করে. আর এই জন্যেই আমি আপনাকে বলি positive ভাবুন. Positive self talk করুন. হেনরি ফোর্টের একটি কোড আছে যে if you think you can if you think, you cant. You are right. তো নেক্সট টাইম নিজেকে failure বলার বা ভাবার আগে (Indecipherable or mute audio) ড়ে ফেলি এবং মনে মনে ভাবি যে আমরা তো বেশ হেবি মাল্টি ডস্কর. কিন্তু এমনটা নয়. একচুয়ালি মাল্টি টাস্কিং. একটি খুবই কমপ্লেক্স প্রসেস.

যেটাকে আমাদের কনসিয়াস মাইন্ড পড়তে পারে না. একসাথে সিমিলার দুটি কাজ ভিডিও দেখতে দেখতে কমেন্ট করা এটা তো easily আপনি করে নিতে পারবেন কিন্তু multi tasking যখন নেক্সট level এ পৌঁছে যায় like গান শুনতে শুনতে বই পড়া তার সাথে সাথে বাইরের weather এর ব্যাপারে ভাবা এবং সাথে সাথে কিছু খাওয়া তো সম্পূর্ণ মাল্টি টাস্কিং এর প্রসেসটি আমাদের কনসেস মাইন্ড করতে পারে না. কিন্তু এই কমপ্লেক্স প্রসেসটিকে আমাদের সব কনসেসমাইন্ড করতে পারে. ফ্যাক্ট নাম্বার এইট, সাবকন্সাস মাইন্ড আমাদের সমস্ত ইন ভলেন্টিয়ারি ফাংশান গুলিকে কন্ট্রোল করে. ইন ভলেন্টিয়ারি ফাংশন অর্থাৎ ব্রিডিং, হার্ড বিট, সালিবেশন, ব্লাড সার্কুলেশন,

ডাইজেশান ইত্যাদি. এই সকল প্রসেসগুলিকে আমাদের সাবকন্সাসমাইন্ড কন্ট্রোল করে. নিউরো সায়েন্স কটি রিসার্চে পাওয়া গেছে যে আমাদের বেশিরভাগ ইমোশনস অ্যাকশনস, ডিসিশন, এবং বিহেভিয়ার, ডিপেন্ড করে আমাদের সব কন্সিয়াস মাইন্ডের উপর অর্থাৎ লাইফের বহু complicated action এবং decision গুলিকে আমরা consciously নিই না বরং আমাদের sub conscious mind নেয়. Fact number seven আমাদের সব consious mind আমাদের Body র almost সব process গুলিকেই control করে. কিন্তু এতটা active থাকা সত্ত্বেও sub conscious mind, কখনো rest করে না. Break নেয় না. বা ঘুমিয়ে পড়ে না. আর ঘুমাবেই বা কিভাবে? সমস্ত important process.

হার্ট বিট্টু ব্লাড সার্কুলেশন, ডাইজেশান এই সমস্ত প্রসেসগুলি তো সাবকন্সাস মাইন্ডের কন্ট্রোলেই থাকে. এই কারণের জন্যে এটি কখনো রেস্ট করে না. ইভেন আমরা যখন ঘুমিয়ে পড়ি তখনও আমাদের সাবকন্সার্স মাইন্ড জেগে থাকে. এবং continuously কাজ করতে থাকে. কিন্তু এরই অপরদিকে যখন আমরা ঘুমিয়ে যাই তখন আমাদের conscious mind enartive হয়ে যায়. Fact number six অনেক সময় subconsious mind আমাদের body আমাদের কন্ডিশনকে শেয়ার করে. যখন সাবকন্ডাস মাইন্ডস ট্রেসড বা ফ্রাস্ট্রেটেড হয়ে যায় তখন আমাদের বডিতে বেশ কিছু সিমটমস লক্ষ্য করা যায়. যেমন হটাৎ মাথা ব্যথা করা পিম্পলস, জয়েন্ট পেইন. এটসেটরা. কোনো প্রকার অসুস্থতা না থাকার সত্ত্বেও অনেক সময় আমরা খুবই লোভীল করি. তো এটাও আমাদের sub conscious mind এরই একটি রিফ্লেকশান. যেহেতু শরীরের বেশিরভাগ function গুলিকেই সব conscious মাইন্ডি কন্ট্রোল করে তাই যখন সাবকন্স mind এ কোনো প্রবলেম create হয় তখন body র সমস্ত function গুলিও out of track হয়ে যায়.

Fact number five subconscious mind reality এবং imagination এর মধ্যে difference করতে পারে না. অর্থাৎ আপনার সব conses মাই বাস্তবতা এবং কল্পনার মধ্যে তফাৎ করতে পারে না. আর এটারই রিলেটেড একটি scientific studies করা হয়. যেখানে দুটি গ্রুপের লোকেদেরকে পিয়ানো বাজাতে দেওয়া হয়. তফাৎ শুধু এটাই যে first গ্রুপ এর লোকেদের actually দেওয়া হয়েছিল বাজানোর জন্যে এবং second গ্রুপ এর লোকেদের বলা হয় যে আপনারা শুধু এটা imagine করুন যে আপনারা পিয়ানো বাজাচ্ছেন তো surprisingly participant দের brain কে scan করে জানা গেল যে দুই গ্রুপ এর part Brain ways সমান ছিল. অর্থাৎ PNO বাজানো গ্রুপের লোকেদের ব্রেন, পিয়ানো বাজানো কালীন যতটা active ছিল পিয়ানো বাজানোকে imagine করা গ্রুপ এর ব্রেনও. সমান active ছিল. তো ঠিক একই রকম ভাবে কোন খারাপ বা dangerous situation কে imagine করাও আপনার জন্য প্রবলেম create করতে পারে. শুধু imagine করার ফলেই আমাদের সব conscious mind,

এমন react করা শুরু করে যে সেটি বোধহয় reality তেই ঘটছে. এই ফ্যাক্টরি থেকেই পাওয়ার অফ ইমাজিনেশনের কনসেপ্টস তৈরি হয়. যেটাকে নিয়ে নয় অন্য কোনো ভিডিওতে আলোচনা করবো ফ্যাক্ট নাম্বার ফোর. রোহেলিকা চ্যানেলের একা থাকার উপকারিতা গুলিকে নিয়ে তৈরি করা ভিডিওটি তো আপনি অবশ্যই দেখেছেন. তাই না? তো same আমাদের sub conses mind ও একা থাকতে খুব ভালোবাসে. আর এটাই হলো কারণ যে আপনার subconses mind তখন সব থেকে বেশি active এবং efficiently কাজ করতে পারে. যখন আপনি একা থাকেন. যখন আপনি একা থাকেন, ফ্যাট নাম্বার থ্রি সাবকন্সাস মাইন্ড আপনার কনসিয়াস মাই র তুলনায় বহুগুণ fast এবং accurately কাজ করতে পারে. অর্থাৎ যখন আপনি কোনো কাজকে করার কথা ভাবেন তখন হয়তো আপনার মনে হয় যে সেই কাজটিকে করার ডিসিশন আপনার কনশাস মাইন্ড নিয়েছে. তবেই আপনি সেটিকে করছেন.

য়েল reality একটু অন্য রকমই. Reality তে আপনার subconses mind সেই কাজটিকে already decide করে নেয়. এবং সে আপনার conscious mind কে সেই কাজটিকে করার command দেয়. তারপর গিয়ে আপনি সেই কাজটিকে করেন. ফ্যাক্ট নাম্বার টু আমাদের মাইন্ড সারাদিনে প্রচুর পরিমাণ ইনফরমেশন কে রিসিভ করে. তো এই প্রচুর পরিমাণ ইনফরমেশন কে তো ব্রেন প্রসেস করতে পারে না. তাই সে কি করে? সে ইম্পর্টেন্ট এবং আনম্পর্টেন্ট ইনফরমেশন কে brain এ বাছাই করে. বাছাই করার পর important ইনফরমেশন গুলির ওপর focus করে এবং unimotent গুলিকে ignore করে. তো আমরা যত বেশি কোন ইনফরমেশন কে parship করব, আমাদের subponsiss mind সেই ইনফরমেশন কে importance দেওয়া শুরু করবে. হর এক্সাম্পল, যদি আপনি বারবার কোন নেগেটিভ বিষয়কে ভাবেন তো আপনার supponses mind সেই negative বিষয়কেই ইম্পর্টেন্স দেওয়া শুরু করবে.

আর ঠিক এটাই ঘটে অ্যাফর্মেশনের সাথে. প্রথম যখন আপনি apparmation কে try করেন, তখন এটা ঠিকভাবে কাজ করে না. কারণ sub conscious mind এর কাছে তো এটা একটা নতুন বিষয়. তাই প্রথম প্রথম মাইন্ড, এটিকে ignore করা শুরু করে. কিন্তু যখন বারবার আপনি সেই positive a formation কে us করেন তখন সেটি আপনার সাবকন্সিয়াস মাইন্ড কে হিট করে এবং এফরমেশন ধীরে ধীরে কাজ করা শুরু করে ফ্যাট নাম্বার ওয়ান আমাদের সাবকন্সাস মাইন্ড টেসলার অটো পাইলট মোডের মত কাজ করে বুঝতে পারলেন না তো? ওয়েল যদি আপনি এটা জানতে চান যে exactly আপনার subconsies mind কিভাবে কাজ করে? মানে practically আপনার subconsious mind কিভাবে কাজ করে? এটা জানার জন্যে আপনি এই trick টিকে follow করতে পারেন.

নেক্সট টাইম Mobile বা PC তে কোন কিছু type করার সময় প্রতিটি লেটার কে প্রেস করার সময় আপনি ভাবুন যে এবার আপনি কোনটি লেটার কে প্রেস করতে চলেছেন? আপনি ভাবুন যে কখন আপনি স্পেস, full stop এগুলিকে ব্যবহার পড়তে চলেছেন. তো এইভাবে typing করতে গেলে আপনি লক্ষ্য করবেন যে আপনার typing করতে অনেকটা কষ্ট হচ্ছে. এবং আপনার অনেকটা সময়ও লেগে যাচ্ছে. তো ঠিক এই typing টিকেই যদি আপনি আপনার subconce mind এর উপর ড়ে দেন. তো দেখবেন যে automatically আপনার mind, সেটিকে instantly type করে দেবে. মানে আপনার subconses mind letter কে মনে করে দেওয়ার সাথে সাথে আঙ্গুলকেও সেই keyboard এর letter এর কাছে নিয়ে চলে যাবে. এবং প্রেসও করে দেবে মানে দেখুন এই টাইপিং কাজটিকে সাবকন্সার্স মাইন্ডে ছেড়ে দেওয়ার পর সে ভাবা আঙ্গুলকে সেখানে নিয়ে যাওয়া প্রেস করে দেওয়া নেক্সট লেটার কে ভাবা এবং হোয়াটস স্পেলিং কে ভেবে এই পাঁচটি কমপ্লেক্স কাজকে একসাথে করে দিচ্ছে আর এই ভাবেই আপনার subconce mind কাজ করে.

আপনাকে না বলে না জানিয়ে লাইফ এর almost সব কাজেই আপনাকে সাহায্য করে. তো এগুলিই ছিল দশটি আমাদের subconsious mind এর ব্যাপারে কিছু amazing facts আশা করছি আপনি এই পোষ্টটির মাধ্যমে আপনার subconsious mind এর ব্যাপারে কিছু নতুন এবং interesting তথ্যকে জানতে পেরেছেন।

Related Articles

Back to top button