Life Style
Trending

মনোবিজ্ঞান কি এবং কিভাবে তারা এডভাইস দিয়ে থাকেন।

মনোবিজ্ঞান কি এবং কিভাবে তারা এডভাইস দিয়ে থাকেন।

আপনি কি জানেন যে মনোবিজ্ঞান রা হিসেবে যে ব্যক্তি পরামর্শ দেওয়ার দিক থেকে বিশেষজ্ঞ হয় অর্থাৎ যে সকল ব্যক্তিরা বিভিন্ন সমস্যার সমাধান দেওয়ার দিক থেকে এক্সপার্ট হয় তারাই জীবনেএ সব থেকে বেশি আজকের এই পোষ্টটি বেশ ইন্টারেস্টিং হতে চলেছে কারণ আজকের এই পোষ্টটিতে আপনি এমন ৬ মনোবিজ্ঞান ঘটনা কে জানতে চলেছেন, যেগুলিকে জানার পর আপনি অবাক হয়ে যাবেন।

সুতরাং, বলা যাক এই সাইকোলজিকাল ফ্যাক্ট টিকে একটু মনোযোগ দিয়ে শুনবেন লাইফে খুব কাজে দেবে মনে করুন আপনি কোনো ভাইবা বোর্ড বা কোনো ইম্পর্টেন্ট মিটিং এ আছেন এবং আপনি খুবই স্নায়বিক হয়ে গেছেন।

মনোবিজ্ঞান কিভাবে কাজ করেঃ

তো এই সিচুয়েস এ নিজের নার্ভাসনেসকে কাটিয়ে ওঠা করার জন্যে আপনি একটি কাজ করতে পারেন. আপনি সেই সময়ে আপনার এমন এক বন্ধুর কথা ভাবতে পারেন যার সঙ্গে আপনি বহুদিন ধরে দেখা করেননি. এতে কি হবে? এতে আপনার মন থেকে নার্ভাস অনুভূতি একেবারেই চলে যাবে এবং আপনার সচেতন মন হয়ে যাবে. বিস্ময়কর তাই না? এটাকে অবশ্যই একবার চেষ্টা করবেন।

ঘটনা সংখ্যা ১ঃ অনেক সময় কি হয় আমরা বন্ধু বান্ধবদের সাথে আড্ডা দি, গল্প করি।ইয়ার্কি ফাজলামি করি তাই না তো ফ্যাক্ট হলো এই যে গল্প বা ইয়ার্কি ফাজলামি কালীন সেই গ্রুপের মধ্যে থেকে যে ব্যক্তি ঘন ঘন আপনার দিকে তাকায় তাহলে বুঝবেন যে সেই ব্যক্তি মনে মনে আপনাকে খুব ভালোবাসে হেঁ।

মনোবিজ্ঞানের হিসাবে কথোপকথন কালীন কোনো ব্যাক্তি যদি মাঝে মধ্যেই আপনার দিকে তাকায় তাহলে বুঝবেন যে সেই ব্যক্তিটি আপনাকে লাইক করে।

ঘটনা আট ২ঃ এই মনোবিজ্ঞান তথ্য টি বেশ মজাদার রয়েছে মনোযোগ দিয়ে শুনবেন একজন ব্যক্তি কেমন স্বভাবের তা যদি আপনি জানতে চান অর্থাৎ ব্যাক্তি সৎ শান্ত, নাকি উগ্র মেজাজি এটা যদি আপনি জানতে চান তাহলে আপনি সেই ব্যক্তির এই স্বভাবটিকে লক্ষ্য করুন সে কোনো রেস্টুরেন্টে একজন ওয়েটারের সাথে কেমন আচরণ করছে? হ্যাঁ এই কথাটি একেবারেই সত্য একজন ব্যাক্তি রেস্টুরেন্টের কোনো ওয়েটার বা স্টাফের সাথে কেমন আচরণ করছে তা থেকে আপনি সেই ব্যাক্তির মনসিকতার পরিচয়কে পেতে পারেন হোয়াইট ইন্টারেস্টিং।

ফ্যাক্ট নম্বর ৩ঃ আমরা যখন মিথ্যে কথা বলি তখন আমরা প্রচণ্ড অস্বস্তি হয়ে যাই. আর এই অস্বস্তিকর নেস  থেকে বাঁচার জন্যে আমরা বিনা কারণে নিজের হাত এবং পা কে নড়াতে থাকি.

কমফোর্টেবল ফিল করার জন্যে আমরা আমাদের হাত এবং পাকে নড়াচড়া করতে থাকি. ওয়েল আপনার কি মনে হয়? এই মানসিক তথ্য টি কতটা সত্য?

নিচে কমেন্ট বাক্স এ অবশ্যই জানাবেন।

ঘটনা ছয় ৪ঃ মিথ্যে কথার কথা যখন উঠলই তো মিথ্যেকে নিয়ে আরো একটি মনোবিজ্ঞান সত্য কে জেনে রাখুন যখন কোনো ব্যাক্তি কারো সামনে মিথ্যা কথা বলে তখন সে সামনের সেই ব্যক্তির চোখে চোখ রেখে কথা বলতে পারে না।

কারণ সচেতনভাবে সে পুরষ্কার থাকলেও তার অবচেতন মন এটা জানে যে সে মিথ্যা কথা বলছে এবং অবচেতন ভাবে সেই ব্যক্তি নিজেকে অপরাধবোধ  করে.

যার কারণে মিথ্যা কথা বলার সময় বেশিরভাগ লোকেরাই চোখে চোখ রেখে কথা বলে না. তবে হ্যাঁ যে সকল লোকেরা চোখে চোখ রেখে আত্মবিশ্বাসের সাথে অনর্গল ভাবে আপনার সামনে মিথ্যা কথা বলে তাদের থেকে দূরে থাকাটাই আপনার জন্য ভালো।

তথ্য নম্বর ৫ঃ মনে করুন আপনি ঘুমোচ্ছেন এবং পাশে থেকে কেউ দিকে তাকিয়ে রয়েছে. আপনার দিকে অনেকক্ষণ ধরে তাকিয়ে রয়েছে. তো এক্ষেত্রে আপনি তো ঘুমোচ্ছেন ঠিকই কিন্তু তবুও আপনার brain এটা guess করতে সক্ষম. যে কেউ আপনার দিকে দেখে রয়েছে. ওয়েল এর কারণ হলো যে আপনি তো ঘুমোচ্ছেন ঠিকই but আপনার brain সে তো জেগেই রয়েছে. সে তার নিজের মতো কাজ করেই চলেছে. যদি brain ঘুমিয়ে পরে, তাহলে তো আমরা permanently ঘুমিয়ে পরবো।

তথ্য নম্বর ৬ঃ যেমনটি আপনি যানেন যে স্ট্রেস বা মানসিক চাপ বর্তমানে একটি বিশাল সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে. তো সাইকোলজির একটি রিসার্চ অনুযায়ী. আঠেরো থেকে তেত্রিশ বছর বয়সী লোকেদের মধ্যে এই স্ট্রেস বা মানসিক চাপের পরিমাণ থেকে বেশি হয়ে থাকে. আঠেরো থেকে তেত্রিশ বছর বয়সী ব্যক্তিদের স্ট্রেস লেভেল খুব বেশি থাকে. এবং এরই অপরদিকে তেত্রিশ বছরের পর ব্যক্তিদের মধ্যে স্ট্রেস লেভেলের পরিমাণ কমতে শুরু করে. সকিন. ফ্যাক্ট নাম্বার সিক্স সাইকোলজির হিসেবে এই পৃথিবীর প্রতিটি ব্যক্তিরই তিনটি লাইফ রয়েছে, একটি হলো পাবলিক লাইফ যার ব্যাপারে পাবলিক আই মিন লোকেরা তাকে চেনে জানে এবং judge করে, দ্বিতীয় হলো private life.

এই লাইফ এর ব্যাপারে বাড়ির লোকেরা আত্মীয় স্বজন এবং কাছের মানুষগুলি জানে. এবং তৃতীয় হল সিক্রেট লাইফ. এই লাইফের ব্যাপারে কোন ইনফরমেশন কোন কথা কেও জানে না কেবলমাত্র আমাদেরই জানা থাকে. কোয়েল আপনার কি মনে হয় এই psychological facts টি কতটা সত্য.

Related Articles

Back to top button