Life Style

যে ৬টি অভ্যাস আপনাকে মানসিকভাবে দুর্বল করে দিচ্ছে

আপনি কি বেশ কয়েকদিন ধরে স্ট্রেস্ট ফিল করছেন আপনার মনে কি আজেবাজে চিন্তা আসছে? যার ফলে আপনি ডিপ্রেসড হয়ে যাচ্ছেন? আপনি ভেবে পাচ্ছেন না যে কি করবো আপনার কোন জিনিসেই মন বসছে না. আপনি সামান্য তেই রেগে যাচ্ছে বা সামান্য কোন ব্যাপারেই নিজেকে দুঃখী এবং একা ফিল করছেন. যদি হ্যাঁ হয় তাহলে আজকের এই পোষ্টটি আপনার জন্য. যে ধরনের পরিবেশে আপনি আছেন এবং যে ধরনের প্রবলেম আপনি আমি সবাই face করছি এই সিচুয়েশনে স্ট্রেস এবং ডিপ্রেশন একটি কমন ব্যাপার. এই ধরনের সিচুয়েশন ব্যক্তিকে মেন্টালি উইক করে দিচ্ছে.

 

আর আমাদের দেশে এই সকল প্রবলেমস বা ডিসঅর্ডার লাইক অ্যানজাইটি ডিপ্রেশন এবং স্ট্রেস এই প্রবলেম গুলির গ্রাফ, খুব স্পিডে বেড়ে যাচ্ছে. আর আজ আমাদের প্রত্যেকেরই নিজের মেন্টাল হেলথের ওপর, ধ্যান দেওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে. আর এটা আমাদের ফার্স্ট প্রায়োরিটিও হওয়া উচিত. আমরা সবাই নিজের নেগেটিভ ইমোশন গুলিকে নিজের ডেইলি লাইফে face করতে থাকি. জেনেই হোক আর না জেনেই হোক না কেন আমরা আমাদের ডেইলি লাইফে এমন কিছু অভ্যেস বা habit কে বানিয়ে নিই যা আমাদের মেন্টাল হেলথকে আরো করে দিচ্ছে. আজকের এই পোষ্টটিতে আমরা এমনই ছটি অভ্যেস বা হাবিটের ব্যাপারে জানবো. যা আপনার মধ্যে পোষ্টটির শুরুতে বলা সমস্যাগুলিকে জন্ম দিচ্ছে. এবং আপনার মেন্টাল হেলথকে উইক করে দিচ্ছে. আর যা আপনি এই অভ্যাসগুলিকে নিজের মধ্যে থেকে দূর করে একজন mentally strong person হয়ে উঠতে পারেন.So let’s bigging,

 

number one : warring too much about being nice, kindless, আপনার conversation কে আরো Attractive করে তোলে. কিন্তু বারবার এটাই ভাবা যে আপনি ভালোভাবে কথা বলতে পারেন না বা আপনি ভালো নন এই ধরনের ভাবনা আপনার মেন্টাল হেলথকে উইক করে দেয়. লোকেরা আপনাকে কিভাবে দেখে? বা কিভাবে দেখতে চায়? ব্যাপারটিকে নিয়ে ভাবতে থাকা এবং stress আউট হয়ে পড়া এটা আপনার অনেক energy কে নষ্ট করে দেয়. যদি আপনি আপনার সম্পূর্ণ energy শুধু এটা ভাবতেই লাগিয়ে দেন যে লোকেরা আপনাকে কিভাবে parceive করছে তো এটা করতে গিয়ে আপনি নিজের ব্যাপারেই ভাবার আর সময় পান না. নিজের মেন্টাল স্টেটের ব্যাপারে ভাবার energy কেই হারিয়ে ফেলেন. কারণ আপনার সম্পূর্ণ energy তো লোকেদের ব্যাপারে ভাবতে গিয়ে already শেষ হয়ে গেছে.

 

তো যদি আপনি সবার কাছে ভালো হওয়ার বা ব্যাপারটিকে নিয়ে সবসময় ভাবতে থাকেন তো এটাকে আজই বন্ধ করুন. একটি সত্য কথাকে আপনি accept করে নিন যে আপনি একসাথে একই সময়ে সবার কাছে ভালো হতে পারবেন না. আর যদি এটা আপনি করতে চান তো দেখবেন যে দিনের শেষে আপনি নিজেই মানসিকভাবে দুর্বল হয়ে গেছেন.

 

Number two : পশ্চাৎ হেলে বসা বা ভুল possture এ বসা শুধু bad manergy নয় বরং এটা আরো বেশি ক্ষতিকারক. ভুল পসচার মেন্টাল হেলথ এ তো প্রভাব ফেলেই. তার সাথে সাথে আপনার body তেও একটি খারাপ প্রভাব ফেলে. এইভাবে বসার ফলে সম্পূর্ণ শরীরের pressure আপনার spinal code এবং body র internal organ গুলির ওপর পড়ে. আর যা indirectly আমাদের feelings এবং emotion এর ওপর প্রভাব ফেলে. সোজা ভাবে বা স্ট্রেট বসা আপনার মেন্টাল health কে তো improve করেই তার সাথে সাথে আপনার ফিজিক্যাল health এর জন্যও অনেক উপকারী. হয়তো এই পোষ্টটিকে দেখার সময়ও আপনাদের মধ্যে থেকে অনেকেই ব্যাট পোস্টারে বসে আছেন. বা শুয়ে আছেন.

 

তো এই অভ্যাসটিকে আপনি শীঘ্রই পরিবর্তন করুন. স্ট্র্যাডিজে য়া গেছে যে আপনার good body poster আপনার energy level কে অনেক গুণ বাড়াতে সাহায্য করে. আপনার মধ্যে positive attitude কে develop করতে সাহায্য করে. এবং mental condition. যেমন depression এবং anxiety symptoms কেও অনেক কমাতে সাহায্য করে. তো নেক্সট টাইম ভুল পোস্টারে বসার আগে এই পয়েন্টসটিকে একবার অবশ্যই মনে করে নেবেন.

 

Number Three : সার্চ অফ পারফেকশানিজম. নিজের পার্সোনালিটিকে ইম্প্রুভ করার জন্যে নিজের কাজ করা ভালো কথা কিন্তু যখন আমরা perfection এর পেছনে ছুটি অর্থাৎ যখন আমরা সব কিছুকেই perfect ভাবে করার চেষ্টা করি সবকিছুকেই perfectly accurately করার চেষ্টা করি. তো এটি আমাদের ওপর এটি negative প্রভাব ফেলে. যদি আপনি কোন কিছুকে বা কোন কিছুকে লিমিটলেস এবং boundary less ভাবে perfect হতে চান. তো জেনে রাখুন যে এটি আপনার মেন্টাল health এর ওপর খুবই খারাপ impact ফেলে সব কিছুতেই একদম perfect হওয়ার চেষ্টা. মেন্টাল condition এবং mind কে low করে দেয়. আপনি হয়তো এই facts টি জানেন না. But আপনার ছোট ছোট ভুল গুলি ছোট ছোট বোকামি গুলির জন্যেই লোকেরা আপনাকে পছন্দ করে. তাই সবকিছুতেই perfect হওয়ার চেষ্টা বন্ধ করুন মনে রাখবেন জিওর ইম্পারফেকশান্স. মেকিউ পারফেক্ট.

 

Number Four : নেগেটিভ সেল টক. লাইফে অনেক সময় আপনি কোন কারণ ছাড়াই দুঃখী এবং একা ফিল করেন. করেছেন তাই না? আপনি চাইলে এই feelings কে সেই সময় overcome করতে পারেন না. আর এই NCS feeling আপনার সম্পূর্ণ দিনটিকেই খারাপ করে দেয়. তো আপনি কি কোনদিন ভেবে দেখেছেন যে আপনার সাথে কেন এমন হয়, এর মেন কারণ হলো negative self top. আপনি কি তেমন ভাবেই নিজের সাথে কথা বলেন যেমন ভাবে আপনি লোকেদের সাথে কথা বলেন হয়তো না যখন আমরা অন্যের সাথে কথা বলি তখন আমরা বহু জিনিসকে মাথায় রেখে তার সাথে কথা বলি. যেমন সে যেন বুঝতে পারে তাকে যেন আমার কথা খারাপ না লাগে তার interest related যেন কথা হয়. আমাদের voice pitch যেন মধুর হয় adset adset রা. কিন্তু যখন আমরা নিজের সাথে কথা বলি, self top করি. তো তখন আমরা এই সমস্ত জিনিস গুলি ভুলে যাই. কেন জানেন? কারণ আমরা লাইফে নিজেকে বাদ দিয়ে সবাইকে value দেওয়ার চেষ্টা করি. আর আমরা নিজেদের সাথে negative self top করি. নিজের সাথে কথা বলার সময় negative বিষয়ে negative even Negative thought গুলির ওপর discuss করি, আর এই negative self talk ই আমাদের mental health এর ওপর খুবই খারাপ প্রভাব ফেলে. তো যদি আপনারাও negative self ত্বকের অভ্যেস রয়েছে, তাহলে আজই এটিকে দূর করুন. আর এই negative self tock রিপ্লেস করুন পজিটিভ সেল টকে.

 

Number Five : রিগ্রেড, এটা হলো এমন একটি ইমোশনাল স্টেট, যা আমাদের মধ্যে যদি কম মাত্রায় থাকে তাহলে কোনো অসুবিধে নেই, কিন্তু যখন এটি আমাদের অভ্যাস হয়ে যায় তখন এটি আমাদের মধ্যে প্রবলেম তৈরি করা শুরু করে কিছু কিছু রিগ্রেড বা আপসোস আমাদের সবার লাইফেই রয়েছে. লাইক নিজের পছন্দের স্টাডিফিল্ডার সাবজেক্টকে চুজ করতে না পারা ফেভারিট জব না পাওয়া, নিজের পছন্দের ব্যক্তিকে না পাওয়া. Adsetra adsetraft. কিন্তু এই রিগ্রেটের ফিলিং যখন ব্যক্তি ডেইলি habit হয়ে যায় তখন ব্যক্তির মেন্টাল condition week হতে শুরু করে.

 

আফসোস গুলি যখন আমাদের ডেইলি habit হয়ে যায়. বার বার যখন এই আফসোস গুলিকে mind এ repeat করতে থাকি. নিজেকে প্রতিদিন সেগুলিকে মনে করিয়ে দিই. তো এই অভ্যেস ব্যক্তির মধ্যে একটি permanent stress এর আকার নিয়ে নেয়. এই রিগ্রেটের habit ব্যক্তির মধ্যে বেশ কয়েকটি মেন্টাল প্রবলেম কে জন্ম দেয়. যেমন স্লিপ প্রবলেমস, অ্যানজাইটি, মুড ডিসর্ডার, লেস কন্সেন্ট্রেশান, ডিপ্রেশনের মত বহু সিরিয়াস মেন্টাল প্রবলেম তৈরি হয়. তো এই রিগ্রেট গুলিকে বারবার রিপিট করার পরিবর্তে আপনি এগুলোকে ভুলে যাওয়ার চেষ্টা করুন.

 

Number six : too much take. নিজের মোবাইল থেকে দূরে থাকা একটু কঠিন কাজই. Specially এমন সময় যখন study থেকে শুরু করে jobs সবই অনলাইনে চালু হয়ে গেছে. এই condition এর চেষ্টা করবেন যে আপনার স্কি ন টাইম যতটা সম্ভব যেন কম থাকে. এক্সেসিপ মোবাইল ইউজ করা থেকে বাঁচুন. আপনার স্মার্টফোনটি আপনাকে ডাম্প তৈরি করার সব থেকে বড় যন্ত্র এটি আপনার মেন্টাল হেলথ কেও ড্যামেজ করে দেয়. ফোনের এক্সেসিভ ইউজ এবং সোশ্যাল মিডিয়ার স্ক্রোলিং আপনার লাইফের unnecessary stress এবং low selfie steam কে জন্ম দেয়. তাই যখনই আপনি phone কে use করবেন চেষ্টা করবেন যে unnecessary debates, negative conversation এবং negative পোস্ট থেকে যেন আপনি দূরে থাকেন. মোবাইল এবং মোবাইল ডেটাকে ভালো কিছু জানার জন্যে.

 

ভালো কিছু শেখার জন্যে. নিজের স্কিলসকে ইম্প্রুভ করার জন্যে ব্যবহার করুন. তার জন্য আপনি প্রহেলিকা চ্যানেলটিকে সাবস্ক্রাইব করতে পারেন. তো এগুলিই ছিল আমাদের কিছু daily habit. যা আমাদের mental health এর ওপর খুবই খারাপ প্রভাব ফেলে. তো আপনার মধ্যেও কি এই ছয়টি habit এর মধ্যে থেকে কোন habit রয়েছে? নিচে comment box এ আমাকে অবশ্যই জানাবেন. একটি কথা মনে রাখবেন আপনি আপনার মেন্টাল হেলথের দিকেও. ততটাই ধ্যান দিন. যতটা আপনি আপনার ফিজিক্যাল হেলথের দিকে দেন. পোষ্টটি ভালো লেগে থাকলে শেয়ার অবশ্যই করবেন যাতে এই ইন্টারেস্টিং এবং ইনফরমেটিভ নলেজ আপনার প্রিয় ব্যাক্তির কাছেও আপনাদের সঙ্গে আবার দেখা হবে। ধন্যবাদ

Related Articles

Back to top button